Articles by "জাতীয়"

 



গত বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে এক চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, উত্তর কোরিয়াভিত্তিক হ্যাকার গ্রুপ ‘বিগল বয়েজ’ ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা আবার বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ও সুইফট নেটওয়ার্কে হ্যাকিং করতে পারে। সেজন্য ব্যাংকগুলোর ওপর নতুন করে সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইন লেনদেনব্যবস্থা ও এটিএম বুথে নজরদারি বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো। কোনো কোনো ব্যাংক রাতে এটিএম বুথ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন রুপালী ব্যাংক রাত ১১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত এটিএম বুথ বন্ধ করে দিয়েছে।

এ বিষয়  অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম এর জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পরই আমরা নিরাপত্তা বাড়িয়েছি। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ 

এর আগে গত আগস্টে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর ওপর নতুন করে সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। উত্তর কোরিয়ার একটি হ্যাকার গ্রুপ এই হামলা চালাতে পারে বলে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে অনেক ব্যাংক অনলাইন ব্যাংকিং সেবা সীমিত করে। আবার কোনো ব্যাংক অন্য ব্যাংকের গ্রাহকদের এটিএম থেকে টাকা উত্তোলন বন্ধও করে দেয়। 

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে তথ্য আসে, ‘বিগল বয়েজ’ নামে একটি হ্যাকার গ্রুপ ব্যাংকগুলোতে সাইবার হামলা চালাতে পারে। গ্রুপটি উত্তর কোরিয়ার বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ আগস্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকার জন্য চিঠি দেয়। চিঠি পাওয়ার পর সব ব্যাংকই বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। তবে কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি। এই গ্রুপই নতুন করে হামলা চালাতে পারে বলে তথ্য এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যবস্থা নিয়েছে ব্যাংকগুলো।


শীতে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের প্রস্তুতি আছে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
বুধবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সাংসদ দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ কিছুটা কমে এলেও আসন্ন শীতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে বলে অভিমত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ও শীতকালে সংক্রমণ বৃদ্ধির যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

আসন্ন শীত মৌসুমে যাতে করোনা বাড়তে না পারে সে জন্য ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে প্রবেশের জায়গাগুলোতে স্ক্রিনিং অব্যাহত রয়েছে। বিদেশফেরত ব্যক্তিদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন (সঙ্গনিরোধ) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তিন কোটি ভ্যাকসিন আমদানির লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মার ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় চিকিৎসাসেবা, কমিউনিটি অংশগ্রহণ ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা সংসদকে জানান প্রধানমন্ত্রী।

সরকারি দলের সাংসদ এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ জাপানের কাছ থেকে আপৎকালীন সহায়তা হিসেবে ২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধের জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, করোনার টিকা ও চিকিৎসার সামগ্রী সংগ্রহের জন্য এডিবি আরও ৩০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। করোনাকালীন কর্মসংস্থানের জন্য বিশ্বব্যাংক ১০৫ কোটি মার্কিন ডলার দিয়েছে। আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে তৈরি পোশাক খাতের জন্য ১১০ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা পাওয়া গেছে। জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন তৈরি পোশাক ও চামড়া শিল্পের জন্য ১১৩ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা হিসেবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ ছাড়া এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের অনুমোদন দিয়েছে।

সরকারি দলের সাংসদ শফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে কৃষির উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির অভিঘাত সত্ত্বেও প্রতি ইঞ্চি জমি আবাদের আওতায় আনয়নের নীতি গ্রহণ করে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে চতুর্থ স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে, ফলে খাদ্য নিরাপত্তার ভিত্তি সুদৃঢ় হয়েছে। এ ছাড়া সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়, আম উৎপাদনে সপ্তম, আলু এবং পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে কৃষি উন্নয়নের রোল মডেল।

সরকারি দলের সাংসদ শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ১৯ হাজার ১৪২টি পরিবারের পুনর্বাসন করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৩টি পরিবারকে, জমি আছে ঘর নেই এমন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭৭৯টি পরিবারকে এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ৬০০টি পরিবারের গৃহ নির্মাণ করে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সব ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে ও তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

 


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর টিকাটুলিতে এক অনুষ্ঠানে  লালবাগে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় রাত আটটার পর দোকানপাট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে। তবে কবে থেকে এটি কার্যকর হবে, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানাননি ডিএসসিসির মেয়র।

ডিএসসিসির মেয়র বলেন, ‘আমরা একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় শহরটাকে নিয়ে আসতে চাই। আমরা রাত আটটার মধ্যে সব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট বন্ধ করতে চাই।’

তিনি আরো  বলেন, ‘বহির্বিশ্বে দেখি একটি সুনির্দিষ্ট সময়ের পরে সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচটা, ছয়টা, সাতটা, আটটা, নয়টা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক সেই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। আমরা মনে করি ঢাকাবাসীর জন্য ঢাকা শহরের দোকানপাট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রাত আটটার মধ্যে বন্ধ করলে আমাদের সামগ্রিক কার্যক্রম একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে পারব।’

মেয়র বলেন, ‘আটটার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করা হলে ঢাকা শহর যানজট থেকে অনেকটা মুক্তি পাবে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারব, সন্তানদের সময় দিতে পারব, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’  

মেয়র আরও বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের যদি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে সব পিতামাতার সন্তানের সঙ্গে সময় দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেক সময় সেটা ভুলে যাই, সেটা খেয়াল করি না।’  

মেয়র বলেন, ‘আমরা ক্লান্ত হয়ে বাসায় যাই, নিজেদের মতো করে হয়তোবা আমরা ঘুমিয়ে পড়ি বা অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে যাই। কিন্তু সন্তানদের সঙ্গে সময় দেওয়া যেকোনো জাতি গঠনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুতরাং সবকিছু বিবেচনা করে আমরা রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার জন্য সময় নির্ধারণ করেছি। এটি কার্যকর করার জন্য আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’

সাপ্তাহিক নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে এর আগে সকালে আজিমপুর আধুনিক নগর মার্কেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন শেখ তাপস। এ সময় তিনি বলেন, আজকের এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে মার্কেটের কাজ আরম্ভ করছি। এখানে ক্ষণ গণনাফলক থাকবে। আমরা নির্দিষ্ট দুই বছর সময়ের মধ্যে যাতে কাজটি শেষ করতে পারি, সে জন্য এখানে আমরা ক্ষণ গণনাফলক দিয়ে দেব।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজি সেলিম, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 


রাজশাহী নগরের কাঁঠালবাড়িয়া এলাকায় ‘রাধার ভিটা’ নামের একটি কবরস্থানে আজ বুধবার কবরস্থান সংস্কার করতে গিয়ে মিলল মাটির তৈরি দুটি পুরোনো ভাড় বা মটকা। এর মধ্যে একটি বড়, অন্যটি ছোট। মাটির নিচে পাওয়া মটকায় সোনার মোহর থাকতে পারে ভেবে কবরস্থানে ভিড় করতে থাকে স্থানীয়রা। একপর্যায়ে ভিড় ঠেকাতে পুলিশ আসে। কৌতূহল নিয়ে পুলিশের সদস্যরাও দেখতে থাকেন, কী আছে এই মটকাগুলোতে। তবে শেষ পর্যন্ত সবার হতাশ হতে হলো। মাটি ছাড়া আর কিছুই পাওয়া গেল না।

রাজশাহীর পবা উপজেলার হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, কর্মসৃজন কর্মসূচির শ্রমিক দিয়ে তিনি কবরস্থানে মাটি কাটাচ্ছিলেন। এক জায়গা থেকে মাটি তুলে সব জায়গা সমান করা হচ্ছিল। প্রথম যেখানে গর্ত খোঁড়া শুরু হয়, সেখানে এক ফুট মাটি কাটতেই বড় পাত্রটা পাওয়া যায়। সেটির মুখে ঢাকনা ছিল। ঢাকনা দেখে তাঁর সন্দেহ হয় ভেতরে কিছু থাকতে পারে। তিনি তখন পুলিশ ও প্রশাসনকে জানান। ছোট আরেকটি মটকা পাওয়া যায়। 

আবুল কালাম আজাদ বলেন, এই খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে থাকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর ঢাকনা সরিয়ে শাবল দিয়ে মাটি বের করা শুরু হয়। শুরুতে শুধু মাটিই পাওয়া যাচ্ছিল। তখন সবাই ধারণা করছিলেন, ভেতরে মোহর রেখে ওপরে মাটি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। নিচের দিকে যেতেই কাদা মাটি বের হতে লাগল। মাটি ছাড়া আর কিছুই পাওয়া গেল না। সকাল আটটা থেকে শুরু করে বেলা সাড়ে ১১টায় মাটি বের করা শেষ হয়।

রাজশাহী নগরের কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, মাটির মটকা দুটিতে গুপ্তধন আছে ভেবে মানুষ ভিড় করেছিলেন। কিন্তু মাটি ছাড়া কিছুই পাওয়া যায়নি। মাটি বের করার সময় বড় পাত্রটি ভেঙে গেছে। আর ছোটটি আগে থেকেই ভাঙা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পাত্র দুটি অনেক পুরোনো। মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল।


করোনাকালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো (এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন স্কুল-কলেজ) শুধু নির্ধারিত টিউশন ফি আদায় করতে পারবে। এর বাইরে অ্যাসাইনমেন্ট, টিফিন, পুনর্ভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ কোনো ফি আদায় করতে পারবে না।অন্য কোন ফি আদায় করা হয়ে থাকলে, তা ফেরত দিতে হবে অথবা টিউশন ফির সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। একইভাবে অন্য কোনো ফি যদি ব্যয় না হয়ে থাকে, তাহলে তা–ও ফেরত দিতে হবে অথবা টিউশন ফির সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

আজ বুধবার এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো অভিভাবক চরম আর্থিক সংকটে পড়েন, তাহলে তাঁর সন্তানের টিউশন ফির বিষয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বিশেষ বিবেচনায় নেবে। আর কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন কোনো কারণে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যত্নশীল হতে হবে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় আগের মতো সব ধরনের যৌক্তিক ফি আদায় করা যাবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছুটি আছে। এ অবস্থায় বিভিন্ন স্কুলের অভিভাবকেরা করোনাকালে শিক্ষা ফি কমানোর দাবি করে আসছেন। কিন্তু অভিভাবকেরা বলে আসছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাঁদের অনুরোধ রাখছে না।

রাজধানীর মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের একজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, তাঁর সন্তান প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। এর জন্য গত জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই চার মাসের জন্য টিউশন ফি মোট পাঁচ হাজার টাকা ছাড়াও আইসিটি বাবদ ২০০ টাকা, অনলাইন হোম টেস্ট বাবদ ২০০ টাকা এবং মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ফি বাবদ ৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এ রকমভাবে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বিভিন্ন ধরনের ফি নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে কয়েক মাস ধরেই অভিভাবকেরা ক্ষোভ জানিয়ে আসছিলেন। আবার প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ফি না নিলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেবেন কীভাবে?

এ অবস্থায় মাউশি নির্দেশনা দিল। মাউশির বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি নিয়ে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অভিভাবকদের মতভিন্নতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিছু অভিভাবক বলছেন, একদিকে স্কুল বন্ধ ছিল আর অন্যদিকে করোনার সময় তাঁরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। অতএব তাঁদের পক্ষে টিউশন ফি দেওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, তারা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও স্কুল রক্ষণাবেক্ষণ খাতে প্রতি মাসে তাদের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতেই হয়।

মাউশি বলছে, এ অবস্থায় অভিভাবকদের অসুবিধার কথা ভাবতে হবে, অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন বন্ধ বা অকার্যকর হয়ে না যায় কিংবা বেতন না পেয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবন যেন সংকটে না পড়ে, সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।

মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২১ সালের শুরুতেও যদি কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এমন কোনো ফি, যেমন টিফিন, পুনর্ভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন, উন্নয়ন ফি নেবে না, যা ওই নির্দিষ্ট খাতে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করতে পারবে না।

                                                                        প্রতিকি ছবি
 

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় কুলটিয়া গ্রামের জনৈক অজিয়ার রহমান মোল্লার (৪০) লালসার শিকার হয়ে ১২ বছরের এক মাদরাসা ছাত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামবাসী মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্ত অজিয়ারকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। সে কুলটিয়া গ্রামের বাহের মোল্লার ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল কবির বলেন, অভিযুক্ত অজিয়ার রহমান মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত মাদরাসা ছাত্রীর ফুফা অভিযোগ করে বলেন, মেয়েটির বাবা প্রবাসী। মা অন্যত্র বিয়ে করে চলে যাওয়ায় বৃদ্ধা দাদীর কাছে থাকে। প্রতিবেশী অজিয়ার গত চার মাস ধরে মেয়েটিকে প্রথমে ফুসলিয়ে ও পরে খুনের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে চিকিৎসকের কাছে নেয়ার পর জানতে পারি মেয়েটি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাকে গত সোমবার বিকেলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ধর্ষক অজিয়ারের দুইটি মেয়ে আছে।

                                            খুলনায় ৩৩ প্রবাসী ‘হোম কোয়ারান্টাইনে’ - প্রতীকী






করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনায় ‘হোম কোয়ারেনটাইন’ জোরদার করা হচ্ছে। বিদেশে ফেরত ব্যক্তিদের কার্যকর ‘হোম কোয়ারেনটাইন’ নিশ্চিত করতে না পারলে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। খুলনা জেলায় এ পর্যন্ত ৩০ জন বিদেশ ফেরত ব্যক্তি নিজ গৃহে কোয়ারেনটাইনে আছেন এবং খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গায় একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

খুলনা বুধবার বিকেলে সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জেলা কমিটির জরুরি সভায় এসকল তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের এক তথ্য বিবরণীতে এসব তথ্য জানানো হয়।


তথ্য বিবরণীতে আরও বলা হয়, কোয়ারেনটাইনের নিদের্শনাপ্রাপ্ত ব্যক্তি জনবহুল স্থানে বিচরণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাড়িতে কোয়ারেনটাইনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকলে সরকারিভাবে স্থাপিত কোয়ারেনটাইনে আশ্রয় নিতে হবে। সকল ব্যবস্থার সঠিক প্রতিপালন নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। হোম কোয়ারেনটাইন ব্যবস্থা কার্যকরভাবে প্রতিপালনের বিষয়টি এ কমিটি প্রতিদিন দুইবার করে পর্যবেক্ষণ করবে। এ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষকদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া করোনাভাইরাস মোকাবেলা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহম্মেদ, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মনিরা সুলতানাসহ উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




সারা বিশ্ব জুড়েই ছড়িয়েছে করোনা আতঙ্ক। এর মধ্যে মাস্কের সংকট দেখা যাচ্ছে ওষুধের দোকানে। এই অবস্থায় চাইলে বাড়িতেই বানিয়ে নেয়া যায় মাস্ক।

শুধু করোনার জীবাণু আটকাবে তাই-ই নয়, বাইরের দূষণ, ধুলাবালি আর নানা রোগের জীবাণু থেকে বাঁচতেও ছোট-বড় সবার প্রতিদিনই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।


জেনে নিন ঘরে মাস্ক বানানোর সহজ পদ্ধতি:

- চার ইঞ্চি করে দুই টুকরো সুতির কাপড় নিনি

- একটির সাথে আরেকটি সেলাই করুন



- সেলাই করার সময় ওপরের ছবিরমতো আধা ইঞ্চি পর পর ভাঁজ করে নিন

- এবার দুই পাশে রাবার লাগিয়ে নিন কান পর্যন্ত

এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আপনার মাস্ক।

বাড়ির সবার জন্য একবারে বেশি করে তৈরি করে রাখুন, এগুলো ব্যবহার করলে সব সময়ই জীবাণু থেকে নিরাপদে থাকতে পারবেন। সূত্র: ইউএনবি।

                         ডব্লিউএইচও’র প্রটোকল মেনে করোণায় মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা হবে - ছবি : সংগৃহীত





করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশের একমাত্র মৃত ব্যক্তিকে ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী দাফন করা হবে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা বুধবার বিকেলে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, মুসলিম ব্যক্তিকে কিভাবে দাফন করা হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্রটোকল আছে। করোনায় আক্রান্ত যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে একজন মুসলমান। তাকে ইসলামি রীতি অনুযায়ীই দাফন করা হবে। তবে তা আইইডিসিআর’র লোকজন করবেন। এ উদ্দেশ্যে আমাদের লোকজন মৃত ব্যক্তির বাড়িতে চলে গেছেন। তারাই সবকিছু করবেন।

উল্লেখ্য করনোভাইরাসের বর্তমান প্রজন্মটি (কোভিড-১৯) খুবই ছোঁয়াচে। তবে মৃত ব্যক্তির হাতে, মুখে, নাকে, চোখে এমনকি যে যে স্থানে মুখের লালা লেগেছে সেখানে ভাইরাস থাকতে পারে। সে কারণে প্রচলিত যে রীতিতে একজন মুসলমান মৃত ব্যক্তিকে খালি হাতে ধরে গোসল করানো হয় এই ক্ষেত্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিকে সেভাবে গোসল করানো বা ধরা যাবে না। সে কারণে আইইডিসিআর’র লোকজন গিয়ে দাফনের কাজটি করে দিয়ে আসবেন।



প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে। ১৮-২৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


                   গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানাসহ তাঁদের স্বজনরা।







ঘাতকের নির্মম বুলেট কেড়ে নিয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাণ। তাঁর নামও বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু ওরা পারেনি। দেশে এখন জন্ম নিয়েছে কোটি কোটি মুজিবুর। তাই শুধু বাংলাদেশই নয়, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয়েছে বিশ্বব্যাপী। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় জাতির পিতাকে স্মরণ করেছে বাঙালি জাতি।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ই মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬শে মার্চ পর্যন্ত ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে উদ্যাপন করবে বাংলাদেশ। এই মুজিববর্ষকে বিশ্বস্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেসকো। ফলে বিশ্বব্যাপী নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিনে সূচনা হয়েছে বছরব্যাপী কর্মসূচির।

মুজিববর্ষ সাড়ম্বরে উদ্যাপনের সব প্রস্তুতি সরকার নিলেও নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সেই আয়োজন সীমিত করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ই মার্চ জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদ্যাপিত হয়। দিবসটিতে স্কুল-কলেজে শিশুদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও তা এবার হয়নি। গতকাল সকালে বঙ্গবন্ধু ভবন, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পরে সকাল ৭টায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মহান স্থপতির প্রতি সম্মান জানানোর অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

জাতির পিতার ছোট মেয়ে শেখ রেহানা এবং বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম এবং প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তাঁর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতির স্মরণে সেখানে তাঁরা কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় সশস্ত্র সালাম জানায়।  এরপর বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

পরে ছোট বোন শেখ রেহানা ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এ সময় তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন, শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, পুত্রবধূ ক্রিস্টিনা জয়, সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছেলে ও মেয়ে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে  রাষ্ট্রপতি সকাল সাড়ে ১১টায় এবং দুপুর সোয়া ২টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা : গতকাল ফুল ফুলে ছেয়ে যায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের বেদি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর সর্বস্তরের জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয় সমাধিসৌধের তিনটি ফটক। দেশের বিভিন্ন জেলার আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও বঙ্গবন্ধুপ্রেমীরা আসেন শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধা জানাতে।

দোয়া ও প্রার্থনা : জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সসহ জেলার সব মসজিদ ও মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও প্রার্থনাসভা। এদিন দুপুরে জোহরের নামাজের পর জেলার সব মসজিদে দোয়া এবং সন্ধ্যায় সব মন্দিরে প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফ্রি বাস সার্ভিস : বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৭ই মার্চ থেকে ২৬শে মার্চ পর্যন্ত গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া মোড় থেকে টুঙ্গিপাড়া জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স পর্যন্ত বিনা মূল্যে যাত্রী পরিবহনে বিআরটিসি বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করেছে।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে টুঙ্গিপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন স্থান সাজানো হয়েছে অপরূপ সাজে। বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সসহ আশপাশ এলাকায় তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে।

বিমানবাহিনীর মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সকাল ১০টা ২০ মিনিটে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার আকাশে ‘একশ’ লিখে সালাম প্রদর্শন করে বিমানবাহিনীর বিমানগুলো। ১০টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত চলে এ উড্ডয়ন।

বায়তুল মোকাররমে ১০০ বার কোরআন খতম : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল দুপুর ১২টায় ১০০ জন কোরআনে হাফেজের মাধ্যমে ১০০ বার পবিত্র কোরআন খতম সম্পন্ন হয়েছে। কোরআন খতম শেষে জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ।

সাভার সেনানিবাসে নানা কর্মসূচি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সাভার সেনানিবাসে বিভিন্ন কর্মসূচি উদ্যাপিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৬টায় সাভার সেনানিবাসের এরিয়া কমান্ডার এবং ৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আবেদীনের উপস্থিতিতে সেনানিবাসে কর্মরত সব সেনা সদস্যের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া সব ইউনিটে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান, ভিডিও ও স্থিরচিত্র প্রদর্শিত হয়।

অন্যদিকে আগের রাত ১২টা ১ মিনিটে সাভারে উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী।

আইএসপিআর : নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদের সভাপত্বিতে এ অনুষ্ঠানমালা সম্পাদিত হয়।

মুজিববর্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : মুজিববর্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে ১০০টি নতুন বৃক্ষ রোপণ করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রমুখ। গতকালই সারা দেশে ৩৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০০টি করে মোট ৩৩ লাখ বৃক্ষ রোপণ করা হয়।

ইউজিসিতে আলোচনাসভা : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ প্রধান অতিথি এবং কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ও প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ওমর ফারুক।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী : গতকাল সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ঢাকা পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় ১০০ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালার সূচনা করা হয়। জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২০ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয়। এতে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার, জেসিও, অন্যান্য পদবির সেনা সদস্য এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের প্রতিটি প্রবেশপথ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুসজ্জিত করা হয়। এ ছাড়া সেনানিবাসগুলোর সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

নৌবাহিনী : যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নৌবাহিনীর সব ঘাঁটি ও জাহাজগুলোয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। এতে নৌবাহিনীর সব স্তরের সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নাবিকরা অংশগ্রহণ করেন। নৌ-অঞ্চলের মসজিদগুলোতে বাদ জোহর মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়।   

বিমানবাহিনী : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে পালন করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। বঙ্গবন্ধুর ছবিসংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল এম আবুল বাশার, বিমান সদরের পিএসওগণ, বিমানবাহিনী ঘাঁটি বাশারের অধিনায়কসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিমানসেনারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী : বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম আসিফ ইকবালসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

এ ছাড়া নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডার্মাটোলজি এসটিডি অ্যান্ড এইডস, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, সমবায় অধিদপ্তর, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, জিটিসিএল, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন, হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ), বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।




দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের তথ্য, চিকিৎসা সুবিধাসহ সব ধরনের মনিটরিং ব্যবস্থা সহজ ও জোরদার করতে প্রতি বিভাগে দ্রুত করোনা ইউনিট স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইউনিটগুলো স্থাপনের ফলে প্রতিটি বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের তথ্য, চিকিৎসা সুবিধাসহ সব ধরনের মনিটরিং ব্যবস্থা সহজ ও জোরদার হবে। একইসঙ্গে করোনাভাইরাসের কারণে বেশি মানুষ কোয়ারাইন্টিনে রাখার প্রয়োজন হলে ঢাকার কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালসহ কিছু হাসপাতাল প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানও প্রস্তুত করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশফেরত প্রতিটি ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে ১৪ দিন থাকার সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। নিয়মের অন্যথা হলে দেশের সংক্রামক রোগের নির্ধারিত আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে সভায় করোনাভাইরাস ইস্যুতে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী বাড়লে কী উদ্যোগ নেয়া হবে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, গোয়েন্দা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জোরালো ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সচিবকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

এ সময় জানানো হয় নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের যোগাযোগের জন্য ১৭টি হটলাইন খোলা হয়েছে।

নম্বরগুলো হচ্ছে- ৩৩৩, ১৬২৬৩, ০১৫৫০০৬৪৯০১, ০১৫৫০০৬৪৯০২, ০১৫৫০০৬৪৯০৩, ০১৫৫০০৬৪৯০৪, ০১৫৫০০৬৪৯০৫, ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, অতিরিক্ত সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাসহ মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Prockash.com

facebook#https://www.facebook.com/hmmasudul

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget